রাজধানীর শ্যামপুর থানার যৌতুক মামলার এজাহারনামীয় আসামি আবু রাসেল রানা (৩৮)’কে শ্যামপুর হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০|*
রাজধানীর শ্যামপুর থানার যৌতুক মামলার এজাহারনামীয় আসামি আবু রাসেল রানা (৩৮)’কে শ্যামপুর হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০|*
নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীর শ্যামপুর থানার যৌতুক মামলার এজাহারনামীয় আসামি আবু রাসেল রানা (৩৮)’কে শ্যামপুর হতে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১০ গত ০৩/০৫/২০২৪ তারিখে বিবাহের পর হতে ভিকটিম’কে তার ¯^ামী আবু রাসেল রানা (৩৮) যৌতুকের দাবীতে বিভিন্ন সময় শারিরীক ও মানুষিকভাবে নির্যাতন করত| এরই প্রেক্ষিতে ভিকটিম তার মায়ের নিকট হতে মোটরসাইকেল ক্রয়ের জন্য ৩,০০,০০০/- যৌতুক হিসাবে আসামি রাসেল রানাকে এনে দেয়|
কিছু দিন পর পুনরায় যৌতুকের টাকার জন্য আসামি রাসেল রানা ভিকটিমকে নির্যাতন করতে শুরু করে| আসামি রাসেল রানা মাদকাসক্ত হওয়ায় বিভিন্ন সময় টাকা দাবি করত| এসব বিষয়ে প্রতিবাদ করলে ভিকটিমকে বিভিন্ন সময় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ’সহ মারধর করতো| গত ০২/০৫/২০২৬ তারিখ মাদক সেবন করে ভোর ০৬.০০ ঘটিকায় বাসায় এসে আসামি আবু রাসেল রানা ভিকটিমের নিকট ১০,০০,০০০/- যৌতুক দাবী করে|
ভিকটিম অপারগতা প্রকাশ করলে আসামি আবু রাসেল রানা তাকে কিল, ঘুষি মেরে জখম করে| এ ঘটনায় গত ২৩/০৫/২০২৬ তারিখে ভিকটিম বিজ্ঞ আদালতে একটি নালিশী দরখাস্ত দাখিল করলে উক্ত নালিশী দরখাস্ত এজহার হিসাবে গ্রহণ করলে ডিএমপি, ঢাকার শ্যামপুর থানার মামলা নং- ২২/১০৮, তারিখ- ২৩/০৫/২০২৬ খ্রি., ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ১১(গ) রুজু হয়| উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন| উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে| |
এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ৩০/০৬/২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা অনুমান ১৯.০০ ঘটিকায় র্যাব-১০, সদর কোম্পানি এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ডিএমপি, ঢাকার শ্যামপুর থানাধীন কঁনমিল ঢাকা ডেন্টাল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত যৌতুক মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি আবু রাসেল রানা (৩৮), পিতা- মৃত হাসেম গাজী, সাং- করিম উল্লাহ বাগ, থানা- শ্যামপুর, ডিএমপি, ঢাকা’কে গ্রেফতার করে| গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে|
র্যাব-১০ এ ধরনের নৃশংস ও অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে| আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ¯^াভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ|
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স